জীবনমুখী কবিতা গদ্য কবিতা
জাতক

জাতক

পড়া: 3 ডাউনলোড: 0 প্রিন্ট/PDF: 0

মণিদীপা বিশ্বাস কীর্তনিয়া

এখন আমার শরীর জুড়ে শীতল নদীর জলের গন্ধ
বুকের ভ্রূণে ফুলের ছন্দ
ভুল সে কোথায়?
ভুল কি নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমের মতন স্বতঃসিদ্ধ!
তাও যদি হয়
শিরায় শিরায় রক্ত ফুঁলে আমুল বিধ্ব
ধরব তাকে বনজ ঘাসে
আমার গভীর আরণ্যকে মেঘ জমেছে
হালকা মৃদু অমলতাসে
ভাসছে দেখো অস্ফুট সব কথার মায়া
কুঁড়ির গায়ে সহজ গন্ধ চুমুর দাগে
রুপোলি খুব ছন্নছাড়া ইচ্ছে জাগে
শুধুই কি আর ইচ্ছে আমার?
অনেক দিনের জমাট সবুজ অপেক্ষারা
বোতাম খুলে ব্যথার জামার
আজ জেনেছে স্নায়ুর ভেতর ঝর্ণা নামে
তীব্র রঙে বাজছে কি শাঁখ কান্না জলে?
বাজুক বাজুক সব এসে যে আলোয় থামে
তেমনি অনেক চাঁদ ঘিরেছে
একলা আমায় অন্ধকারে
আমার যত জানলা ছিল
নীলচে, ফিকে মন খারাপের
যেই খুলেছি বন্ধ তাদের
এক্ষুনি যে উড়াল দিলো
সব নিয়েছি এই শরীরে
বইছি তাকে, করছি লালন
কয়েকটি জল ঋতুর শেষে
জন্ম দেব এক অনুপম জাতক
আমার খাতার পাতায়, এই কবিতায়
সব প্রদীপের গর্ভে আবার স্বতঃস্ফূর্ত রঙের সুরে
এই রেখেছি বীজের আঁধার তোমার জন্য
আনত এই শরীরখানি এক পৃথিবী মাটির পরে
আর একটিবার হে অনন্য।

এই কবিতার আবৃত্তি

এই কবিতার কোনও প্রকাশিত আবৃত্তি এখনও আর্কাইভে নেই।

আপনার অনুভূতি

পাঠকের আলোচনায়

মন্তব্য ও উত্তর

মন্তব্য করতে সদস্য হিসেবে প্রবেশ করুন। প্রবেশ করুন →
এখনও কোনো প্রকাশিত মন্তব্য নেই।
কনটেন্ট রিপোর্ট করুন

অভিযোগ জানাতে সদস্য হিসেবে প্রবেশ করুন।

আরও কবিতা