দেশাত্মবোধক কবিতা গদ্য কবিতা
হে ঈশ্বর

হে ঈশ্বর

পড়া: 4 ডাউনলোড: 0 প্রিন্ট/PDF: 0

বাপ্পাদিত্য দে

যদি শেষ সম্বলটুকুও কেড়ে নাও
আমি তোমাতে বিশ্বাস হারাবো।
আমি খোলা আকাশের নীচে
শতাব্দীর স্মৃতি হয়ে যাবো।

বিষণ্ণতা দিয়ে গড়েছি এই ঘর
পাঁজরের হাড় দিয়ে বোনা দেওয়াল
আর সম্ভাবনাময় ফসলের ক্ষেত
এ সবই আমার শেষ সম্বল।
যদি শেষ সম্বলটুকুও কেড়ে নাও
আমি তোমাতে বিশ্বাস হারাবো।
আমি খোলা আকাশের নীচে
শতাব্দীর স্মৃতি হয়ে যাবো।

আকাশের নীচে কালো মেঘ।
সেখান থেকেই ঝরেছিল
অভিশাপের পোড়া জল।
ধ্বংসের হাওয়া মেখে কী আশ্বাসে
লুটে নিল প্রকৃতির দল
বিষণ্ণতা দিয়ে গড়া
আমার এই একচালা ঘর।
যদি শেষ সম্বল টুকুও কেড়ে নাও
আমি তোমাতে বিশ্বাস হারাবো।
আমি খোলা আকাশের নীচে
শতাব্দীর স্মৃতি হয়ে যাবো।

আমি তো দেখেছি অট্টালিকার অন্ধকার ঘরে
নীল জোনাকির আলো
আকাশ ছোঁয়া প্রাসাদের চূড়া ।
কৈ তাদের চোখে-মুখে তো
তোমার ধুলো পড়েনি ?
দেহ-মন দিয়ে সাম্যের গান
আমিও তো গেয়েছি।
তবে আমার পথেই কেন এত অন্ধকার ?
তবু বাঁচার স্বপ্ন দেখি আমি।
তাই বেঁধেছি ঘর তোমাকে আলিঙ্গন করেই।

আজকাল তুমিও হয়েছ ফন্দিবাজ
কাউকে বিলচ্ছ মহা ভোগ রাজ
কাউকে দিয়েছ ফকিরের সাজ।
থালার ফুটো টা বড় হয়ে উঠলে
জেগে উঠছে ভয়
তোমার দেওয়া এই জন্ম, এই জীবন
থাকবে তো ?
প্রকাশনা তথ্য: অপরাজিতা অর্পণ
প্রধান সম্পাদক - লক্ষ্মী নন্দী
সম্পাদক - কুনাল নন্দী

এই কবিতার আবৃত্তি

এই কবিতার কোনও প্রকাশিত আবৃত্তি এখনও আর্কাইভে নেই।

আপনার অনুভূতি

পাঠকের আলোচনায়

মন্তব্য ও উত্তর

মন্তব্য করতে সদস্য হিসেবে প্রবেশ করুন। প্রবেশ করুন →
এখনও কোনো প্রকাশিত মন্তব্য নেই।
কনটেন্ট রিপোর্ট করুন

অভিযোগ জানাতে সদস্য হিসেবে প্রবেশ করুন।

আরও কবিতা